আওয়ামীলীগের বিশ্বব্যাপী একটি ঘৃণিত রাজনৈতিক দল হিসাবে পরিচিতি পাবার কারণসমূহঃ

১) ২০০৯ সালে দেশ শাসনের সুযোগ লাভ করার কিছু দিনের মধ্যেই দেশপ্রেমিক ৫৭ জন চৌকস, মেধাবী সামরিক অফিসারকে পিলখানায় নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। এই হত্যাকান্ডকে পূঁজি করে আমাদের সাহসী, খ্যাতনামা সীমান্ত রক্ষা কারী বাহিনী বি ডি আর কে রুপান্তরিত করে ভারতের তাঁবেদার বাহিনী বি জি বি তে পরিণত করে। পিলখানায় সামরিক অফিসার হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি এই জালিম, খুনি সরকার তারা এর পরে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে শুদ্ধি অভিযানের নামে কয়েকশ সামরিক অফিসারকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান করে, অনেককে স্থায়ীভাবে চাকরীচ্যুত করে এবং বহু অফিসারকে গোপনে মেরে ফেলে। ২) বাংলাদেশের নিরাপত্ত্বা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র এর তত্ত্বাবধানে নিয়ে যাওয়া এবং ক্যান্টনমেন্ট সহ সর্বত্র র এর গোয়েন্দা এবং কিলার বাহিনী মোতায়েন করা।
৩) পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবির পোশাকে ভারতীয় সেনাবিহিনীর স্পেশাল ফোর্স দিয়ে নির্বিচারে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের হত্যা, গুম এবং বুলডোজার দিয়ে বা অগ্নিসংযোগ, লুটপাট করে বিরোধীদলের বাড়িঘর, দোকানপাট ধ্বংস করা।
৪) বাংলাদেশের অর্থলগ্নী খাতগুলো ধীরে ধীরে ভারতীয়দের হাতে তুলে দেওয়া যেমন আইটি খাত, খনিজ সম্পদ খাত, গার্মেন্টস খাত এবং তৈজষপত্র খাত এবং গোপনে ভারতে গ্যাস পাচারের রহস্য উতঘাটন করায় সাংবাদিক সাগর রুনিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা।
৫) ৪২ বছর আগের মীমাংসিত ইস্যুকে পুনর্জীবিত করে ১০০% বাংলাদেশী মানুষদেরকে স্বাধীনতার পক্ষ বা বিপক্ষ শক্তি বলে চিহ্নিত করে গন মানুষের মধ্যে হিংসা, বিদ্ধেষ, হানাহানির স্থায়ী ব্যবস্থা করা এবং এর মাধ্যমে দেশের জনপ্রিয় ও শীর্ষস্থানীয় আলেমদেরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা পাশাপাশি ধর্মদ্রোহীদের ব্যবহার করে জাতিকে আস্তিক-নাস্তিকে বিভক্ত করা।
৬) ধর্মদ্রোহীদেরকে রক্ষা করার জন্য ৫ই মে রাতের অন্ধকারে হাজার হাজার আলেমকে হত্যা ও লাশ গুম করা পাশাপাশি চিহ্নিত ধর্মদ্রোহীদেরকে নিরাপত্বা দেওয়া এবং বিভিন্ন দেশে তাদেরকে পুনর্বাসন করা।
৭) বিনাশুল্কে ভারতকে ট্রানজিট বা করিডোর দেওয়া এবং বাংলাদেশ ধ্বংসকারী ভারতের টিফাইমুখ বাঁধে বিরোধিতা না করে বরং অনুমতি প্রদান করা।
৮) শিক্ষাব্যবস্থায় নাস্তিকতা ও অশ্লীলতার সংযোজন এবং পাঠ্যপুস্তকে বাংলাদেশী এবং মুসলিম মনিষীদের বাদ দিয়ে ভারতীয় মনিষীদের জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা।
৯) দেশের মেধাবী তরুনদের নির্বিচারে হত্যা, গুম এবং হাযার হাযার মেধাবী ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রদেরকে বিনাকারনে জেলে নিয়ে নিষ্ঠুর নির্যাতনে চিরতরে পঙ্গু করে ফেলা। দেশের বিচারব্যস্থাকে ধ্বংস করে বিচারিক হত্যাকান্ডের প্রচলন করা।
১০) দেশের জনপ্রিয় এবং সরকারের অপকর্মের সমালোচনাকারী ইলেকট্রনিক্স এবং প্রিন্ট মিডিয়াগুলোকে বিনাকারনে বন্ধ করে রাখা এবং সাহসী সাংবাদিকদের উপর জুলুম নির্যাতন করা। পাশাপাশি হলুদ মিডিয়াগুলোকে বিভিন্নভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া।
১১) দেশব্যাপী খুনি, লম্পট ও সন্ত্রাসীগোষ্ঠীকে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে নিয়ে আসা এবং এদেরকে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি বা এমপি বা মন্ত্রী বানানো। পাশাপাশি সমাজে বা রাষ্ট্রের সর্বত্র সন্মানিত ব্যক্তিদের উপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালানো।
১২) ৯২% মুসলিম অধ্যূষিত একটি দেশে প্রশাসনের সর্বক্ষেত্রে হিন্দুদেরকে অগ্রাধিকার বা লিডিং পজিসনে বসানো আবার পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের উপর আক্রমন করে সাম্প্রদায়ীক দাঙ্গা লাগানোর পাঁয়তারা করা।
১৩) আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি ইসলাম, ইসলামী মুল্যবোধ, ইসলামীক কৃষ্টিকালচার ও ইসলামিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপর সরকারী বা দলীয় বাহিনী, মিডিয়া বা নাটক সিনেমার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আঘাত করা পাশাপাশি বিজাতীয় সংস্কৃতিকে জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া।
১৪) বাংলাদেশে দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বরাদ্ধকৃত ব্যান্ডউইথ বিনাশুল্কে ভারতকে ভারতকে ব্যবহার করতে দেওয়া এবং বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে সেনসিটিভ বিভাগে (আইটি বিভাগে) ভারতীয় পরামর্শক নিয়োগ করা।
১৫) পুরো বিশ্ব থেকে বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে সকল ক্ষেত্রে বিশ্বসম্প্রদায়ের মতামতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শুধুমাত্র ভারতের কথামত দেশ চালানো এসর্বোপরি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে আগ্রাসী ভারতের সেবাদাস রাষ্ট্রে পরিনত করা।
১৬)পদ্মা সেতু এদেশের মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত একটি স্বপ্ন, যা অর্থনৈতিকভাবেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।অথচ এর নির্মাণ কাজ শুরুর পূর্বেই সেতুর অর্থায়নের সাথে শেখ হাসিনা এবং তাঁর লুটেরাদের দুর্নীতি সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের সুনামকে চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।একইসাথে, আওয়ামী মন্ত্রী,এম পি দের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে আশংকাজনক ভাবে গত ৫ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.