দিনদিন রসাতলে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও এর আইন-প্রশাসন

আমি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগ ও তাদের দুর্নীতি বিষয়ক নানা প্রবন্ধ লিখেছি, এমনকি একটি বইও প্রকাশ করেছিলাম। শতশত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অনেকেই আমার এসব লেখালেখির বিরোধিতা করেছেন, হুমকি ধামকি দিয়েছেন, এমনকি মামলা পর্যন্ত দায়ের করেছেন।

তবে আমার কথা বিশ্বাস না করলেও, সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরকে তো মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারবেন না, তাইনা? আর প্রকাশিত সংবাদে বিশ্বাস না করলেও, ভিডিও তো বিশ্বাস করতে হয়, রাইট?

এইতো কয়দিন আগে একটি ভিডিও ও খবর প্রকাশ হলো, জামালপুরের ডিসি ও তার সহকারীর অনৈতিক সঙ্গম-এর। যদিও এটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার বলেই আমি মনে করি। কিন্তু সরকারি অফিসে এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড করার অধিকার তাদের কে দিয়েছে? প্রশ্নটা সহজ হলেও এর পেছনে রয়েছে জটিল উত্তর, হয়তো আপনাদের পছন্দ নাও হতে পারে। তবে পছন্দ না হোলে কি হবে, সত্যতো আর বদলে দিতে পারবেন না!

এই সকল সরকারি কর্মকর্তাদের আশকারা দিয়েছে এই হাসিনা সরকার। আর না হোলে, কোন সরকারি অফিসার ডিউটিরত অবস্থায় এহেন কাজ সম্পাদন করার আগে একশবার চিন্তা করতো, ভয় পেতো। কিন্তু এই হিটলার হাসিনার সরকার তাদেরকে এতোই মাথায় তুলে রেখেছে যে তারা মনে করে তাদের স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ কেউ করবে না। ক্ষমতার জোরে তারা সবকিছুকেই ধামাচাপা দিতে একদম ষোলোআনা ওস্তাদ।

একটা বিষয় চিন্তা করে দেখেন, এই আওয়ামী সরকারের ডিআইজি লম্পট লুটেরা, ওসি গনধর্ষনের নেতা, সচিবের সাথে স্কুল শিক্ষিকার সরাসরি যোগাযোগ প্রভাব ইত্যাদি ইত্যাদি। লিস্ট অনেক বড়ো, এক প্রবন্ধে বলে তা শেষ করা যাবেনা। এই আওয়ামীলীগ সরকার আমাদের সমাজকে, আমাদের দেশটাকে নৈতিকতার একদম শেষ তলানিতে নিয়ে যাচ্ছে।

হিটলার হাসিনার প্রশ্রয়ে এই আমলের সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, পুলিশ ইত্যাদি হয়ে উঠেছে ধর্ষক লুটেরা। দেশটাকে একদম ধুসর একটা জায়গাতে নিয়ে যাচ্ছে। তারা কেউ আর আইন নীতি নৈতিকতার ধার ধারছেনা।ক্ষমতার দম্ভে এরা উন্মাসিক, বেপরোয়া। তারা শুধু মূল্যবোধহীন সমাজকে কলুষিতই করছেনা, লোভ ও কামের নেশায় উন্মত্ত করে তুলছে।আওয়ামীলীগ সরকারের প্রতিটি মন্ত্রী ব্যর্থতার নজির রাখছেন।এদের এমপি-মন্ত্রীরা গনমুখী দায়িত্ব ছেড়ে আখের গোছানোতে ব্যস্ত।

দিনদিন এই আওয়ামীলীগ সরকার বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছে রসাতলে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের পালন না করে করছে বিচারবহির্ভূত হত্যা, অনৈতিকতা, উৎকোচ গ্রহণ করা থেকে শুরু করে ধর্ষণের মত গুরুতর অপরাধ করতেও তাদের একটুও দ্বিধা হচ্ছে না শুধুমাত্র এই আওয়ামী সরকারের প্রশ্রয়ে।

এদের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর ব্যবস্হা নিতে হবে। সরকারি গদি থেকে তাদের এখনি উৎখাত করতে হবে, নাহলে এসব বিষয় থামবার নয়। দেশটা একদম বিক্রি করে দেওয়ার আগেই এদেশকে আরেকবার স্বাধীন করতে হবে এই হিটলার হাসিনার সরকারের কবল থেকে। আর না হয় বাংলাদেশ তথা বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত মুক্তি আসবে বলে আমার মনে হয়না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.